ঢাকা , শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬ , ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

​সারা দেশে অভিন্ন প্রশ্নে পরীক্ষার চিন্তা, পাস কমলেও মান বাড়াতে চায় সরকার

স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় : ১৫-০৩-২০২৬ ১২:৫৩:৫৯ অপরাহ্ন
আপডেট সময় : ১৫-০৩-২০২৬ ১২:৫৩:৫৯ অপরাহ্ন
​সারা দেশে অভিন্ন প্রশ্নে পরীক্ষার চিন্তা, পাস কমলেও মান বাড়াতে চায় সরকার শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন



সারা দেশের শিক্ষা বোর্ডগুলোতে প্রশ্নপত্রের মান ও পরীক্ষার মূল্যায়নে সমতা আনতে নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে একই প্রশ্নপত্রে পাবলিক পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার। একইসঙ্গে খাতা মূল্যায়নেও যা লিখেছে তাই নম্বর নীতি আরও কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করার চিন্তা চলছে। সাময়িকভাবে পাসের হার কমলেও দীর্ঘমেয়াদে শিক্ষার মান উন্নত করতে এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। 

শনিবার (১৪ মার্চ) শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন রাজধানীর মিন্টো রোডের সরকারি বাসভবনে ‘এডুকেশন রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশের (ইরাব)’ সদস্যদের সঙ্গে ইফতার-পরবর্তী মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, পরীক্ষায় নকলের বিরুদ্ধে সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করা হবে। অতীতে যেভাবে নকলবিরোধী অভিযান চালানো হয়েছিল, প্রয়োজনে আবারও সেভাবে অভিযান পরিচালনা করা হবে। পরীক্ষার সময় কোথাও নকলের অভিযোগ পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্ত্রী জানান, পরীক্ষায় নকল রোধে প্রযুক্তি ব্যবহারের বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা বসানো এবং প্রয়োজন হলে ভিডিও নজরদারির ব্যবস্থা করা যেতে পারে। এতে পরীক্ষার সময় অনিয়ম বা নকলের ঘটনা ঘটলে পরে প্রমাণ হিসেবে তা ব্যবহার করা সম্ভব হবে।

পরীক্ষা কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনায় মন্ত্রী বলেন, পরীক্ষার্থীরা যেন নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরীক্ষা দিতে না পারে-এ বিষয়ে নতুন করে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। অর্থাৎ যেসব শিক্ষার্থী যে প্রতিষ্ঠানের, তারা সেই একই কেন্দ্রে পরীক্ষা দেবে না। এতে শিক্ষক-শিক্ষার্থী যোগসাজশ কমবে এবং নকলের সুযোগও কমে আসবে। তবে দুর্গম অঞ্চল, হাওর বা বিশেষ পরিস্থিতির ক্ষেত্রে প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যতিক্রম রাখা হতে পারে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, অতীতে বিভিন্ন সময়ে খাতা ঠিকভাবে মূল্যায়ন না করেও অনেক শিক্ষার্থীকে পাস করিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে শিক্ষার মান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বর্তমানে ফলাফলের হার কিছুটা কমে যাওয়ার পেছনে সেই বাস্তবতাও কাজ করছে। তবে ধীরে ধীরে শিক্ষার মান উন্নত করে বাস্তবসম্মত ফলাফল নিশ্চিত করা হবে।

এসময় এমপিওভুক্তির জটিলতা নিয়েও আলোচনা হয়। মন্ত্রী বলেন, মন্ত্রণালয়ে ফাইল নিষ্পত্তিতে দীর্ঘসূত্রতা বরদাস্ত করা হবে না। কোনো ফাইল ৭২ ঘণ্টার বেশি সময় যেন অকারণে আটকে না থাকে সেবিষয়েও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। 

নিউজটি আপডেট করেছেন : News Upload

কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ